বাংলাদেশের একমাত্র বদ্বীপ ভোলা জেলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার হাসান নগর ইউনিয়নের এক সম্ভ্রান্ত রাজনৈতিক পরিবারে ১০ সেপ্টেম্বর ১৯৭৭ইং তারিখে মো: আবুল কালাম আজাদ হাওলাদার জন্মগ্রহণ করেন। তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হিসাব বিজ্ঞানে অনার্স ও মাষ্টার্স ডিগ্রী লাভ করে সমাজসেবা এবং ব্যবসায়ে নিয়োজিত আছেন। তার পিতা আলহাজ্ব শাহে আলম হাওলাদার, মাতা মারজিয়া খাতুন। তার বাবা একজন সমাজসেবক ও ব্যবসায়ী এবং হাসান নগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তার মাতা একজন গৃহিণী। দাদা মরহুম আলহাজ্ব সামছল হক হাওলাদার ছিলেন হাসান নগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও হাসান নগর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান। বড় চাচা মো: মানিক হাওলাদার হাসান নগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও হাসান নগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সহধর্মিনী রাবেয়া সুলাতান জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতে অনার্স ও মাষ্টার্স ডিগ্রী অর্জন করে বর্তমানে শিক্ষিকা হিসেবে কর্মরত আছেন। তিনি এক ছেলে ও এক মেয়ের জনক।
বাংলাদেশের একমাত্র বদ্বীপ ভোলা জেলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার হাসান নগর ইউনিয়নের এক সম্ভ্রান্ত রাজনৈতিক পরিবারে ১০ সেপ্টেম্বর ১৯৭৭ইং তারিখে মো: আবুল কালাম আজাদ হাওলাদার জন্মগ্রহণ করেন। তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হিসাব বিজ্ঞানে অনার্স ও মাষ্টার্স ডিগ্রী লাভ করে সমাজসেবা এবং ব্যবসায়ে নিয়োজিত আছেন। তার পিতা আলহাজ্ব শাহে আলম হাওলাদার, মাতা মারজিয়া খাতুন। তার বাবা একজন সমাজসেবক ও ব্যবসায়ী এবং হাসান নগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তার মাতা একজন গৃহিণী। দাদা মরহুম আলহাজ্ব সামছল হক হাওলাদার ছিলেন হাসান নগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও হাসান নগর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান। বড় চাচা মো: মানিক হাওলাদার হাসান নগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও হাসান নগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সহধর্মিনী রাবেয়া সুলাতান জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতে অনার্স ও মাষ্টার্স ডিগ্রী অর্জন করে বর্তমানে শিক্ষিকা হিসেবে কর্মরত আছেন। তিনি এক ছেলে ও এক মেয়ের জনক।
আবুল কালাম আজাদ হাওলাদার
ছোটবেলায় বাবার হাত থেকেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শের অনুসারি হিসেবে তিনি নিজেকে প্রস্তুত করেন। বঙ্গবন্ধুর আদর্শে গড়া সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করেন। দীর্ঘ সময় কর্মী হিসেবে কাজ করার পর ১৯৯০ সালে মির্জাকালু মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সভাপতি মনোনীত হন।
১৯৯১-১৯৯২ সালে হাসাননগর ইউনিয়ন শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মনোনীত হন। ১৯৯১ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারনার কাজ করেন। ১৯৯৩ সালে সরকারী সৈয়দ হাতেম আলী কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক পদে মনোনীত হন। ১৯৯৫ সালে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় হিসাব বিভাগ ছাত্রলীগের আহ্বায়ক মনোনীত হন। ১৯৯৮ সালে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সহ-সভাপতি হিসেবে মনোনীত হন।
২০০১ সালে নির্বাচনের পর সারা দেশে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের উপর যখন বিএনপি-জামাত জোট সরকার নির্যাতনের স্টিম রোলার চালায়। বিএনপি-জামাতের নির্যাতনের বিরুদ্ধে দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যে প্রতিরোধ আন্দোলন শুরু হয় বাংলাদেশ ছাত্রলীগের একজন কর্মী হিসেবে সেদিন রাজপথে থেকে তৎকালীন ছাত্রলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে অংশগ্রহণ করেন। ২০০২ সালে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য মনোনীত হন।
২০০৬ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক (১) হিসেবে মনোনীত হন এবং নিষ্ঠা, সততা ও দক্ষতার সাথে তিনি দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের তথ্য-গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক হিসাবে সক্রিয়ভাবে কেন্দ্রীয় রাজণীতি করছেন। জানা মতে আজ পর্যন্ত কোন লোভ-লালসা এবং দূর্নীতি তাকে স্পর্শ করতে পারেনি।
উল্লেখ্য যে, তিনি বিগত ২০১৪, ২০১৮ দুই জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১১৬ ভোলা-২ (বোরহান উদ্দিন-দৌলতখান) আসন থেকে সংসদ সদস্য প্রার্থী হিসেবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন।
১/১১ এর পর জননেত্রী শেখ হাসিনার মুক্তি আন্দোলনে গণস্বাক্ষর অভিযান, জেল গেইটের সামনে প্রতিদিন অবস্থান এবং নেত্রীর মুক্তির দাবীতে মিছিলে অংশগ্রহণ করেন এবং এজন্য তৎকালীন শাষকগোষ্ঠীর নির্মম নির্যাতনের শিকার হন। এরপরও থেমে যাননি, জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে প্রতিটি নির্বাচনে নৌকার বিজয় অব্যাহত রাখতে রাত-দিন অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন।