মোফাজ্জল হোসাইন, সিমটেক্স প্যাকেজিং ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, শুধু একজন সফল ব্যবসায়ীই নন, তিনি একজন নিবেদিতপ্রাণ সমাজসেবী এবং ধর্মপ্রাণ ব্যক্তি হিসেবে সমাজে সুপরিচিত। তরুণ উদ্যোক্তা হিসেবে নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠায় যেমন তিনি সফলতার স্বাক্ষর রেখেছেন, তেমনই সামাজিক ও ধর্মীয় কর্মকাণ্ডে তার নিরলস অবদান তাকে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের কাছে
একজন সফল তরুণ ব্যবসায়ী
ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে সিমটেক্স প্যাকেজিং ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডকে নেতৃত্ব দিয়ে মোফাজ্জল হোসাইন দেশের শিল্প খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। তার দূরদর্শী নেতৃত্ব এবং কঠোর পরিশ্রমে সিমটেক্স প্যাকেজিং ইন্ডাস্ট্রিজ একটি প্রতিষ্ঠিত নাম হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। তরুণ বয়সে এই ব্যবসায়িক সাফল্য তাকে দেশের তরুণ সমাজের কাছে এক অনুকরণীয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে উপস্থাপন করেছে।
মোফাজ্জল হোসাইনের জীবনের অন্যতম চালিকাশক্তি হলো তার গভীর ধর্মীয় বিশ্বাস। তিনি ইসলামকে গভীরভাবে ভালোবাসেন এবং নিঃস্বার্থভাবে মসজিদ, মাদ্রাসা এবং এতিমখানাগুলোতে নিয়মিত দান করেন। তার এই দানশীলতা সাধারণত নীরবে ও গোপনে সম্পন্ন হয়, যা তার বিনয়ী স্বভাবের পরিচায়ক। তিনি বিশ্বাস করেন, সমাজের অসহায় ও বঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো প্রতিটি সামর্থ্যবান ব্যক্তির নৈতিক দায়িত্ব। এই বিশ্বাস থেকেই তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রমে নিজেকে যুক্ত রেখেছেন।
মোফাজ্জল হোসাইন শুধু নিজেই ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলেন না, তিনি তরুণ প্রজন্মকেও ইসলামের পথে চলার জন্য অনুপ্রাণিত করেন। বিশেষ করে, তিনি তরুণদেরকে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায়ের জন্য সর্বদা উৎসাহিত করেন। তার মতে, নামাজ শুধু আল্লাহর প্রতি আনুগত্য প্রকাশের মাধ্যম নয়, এটি মানুষকে শৃঙ্খলাপরায়ন ও নৈতিকতাসম্পন্ন জীবন গড়তে সাহায্য করে। তিনি ব্যক্তিগতভাবে এই বার্তা সমাজের সকলের মাঝে ছড়িয়ে দিতে বদ্ধপরিকর।
মোফাজ্জল হোসাইন জামায়াতে ইসলামীর একজন সক্রিয় কর্মী। জামায়াতে ইসলাম মানুষকে নামাজ, ইসলামের মৌলিক শিক্ষা এবং ইসলামী জীবনযাপনের পথে চলতে উদ্বুদ্ধ করে। মোফাজ্জল হোসাইন নিজে এই আদর্শগুলো কঠোরভাবে পালন করেন এবং সমাজের সকলের মাঝে তা ছড়িয়ে দিতে চান। তার বিশ্বাস, ইসলামের সঠিক পথে চলার মাধ্যমেই একটি সুন্দর ও শান্তিময় সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।
মোফাজ্জল হোসাইন বলেন, “আমি বিশ্বাস করি, ব্যবসা যেমন অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি আনে, তেমনই ধর্মীয় ও সামাজিক দায়বদ্ধতা মানুষকে প্রকৃত শান্তি এনে দেয়। আমি আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞ যে তিনি আমাকে সমাজের জন্য কিছু করার সুযোগ দিয়েছেন। আমি সবসময় চেষ্টা করি ইসলামে নির্দেশিত পথে চলতে এবং আমার সাধ্যমতো অন্যদেরও এই পথে উৎসাহিত করতে। বিশেষ করে তরুণদেরকে আমি বলতে চাই, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হওয়া উচিত। এটি আমাদের আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে এবং জীবনে সঠিক পথ দেখায়।”