লেখক গবেষক গ্রন্থপ্রনেতা ও সংগঠক ডা. মআআ মুক্তাদীর ঢাকা ও পশ্চিমবঙ্গের একজন পরিচিত মানুষ ও কবি। বিশেষ করে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কবি সাহিত্যিক বাংলাদেশে আগমন ও সারা বাংলাদেশ ভ্রমণ ডা. মুক্তাদীর একজন সাংস্কৃতিক দূত হিসেবে কাজ করেন। ভারতীয় অতিথিদের বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় নিরাপদে ভ্রমণে তিনি সহযোগিতা করেন। তিনি ভাষা আন্দোলন গবেষনায় কাজ করেছেন। আসামের বাংলা ভাষা রক্ষায় শহীদের পরিচিতি ও বাংলাদেশে দিবসটি পালন ডা. মুক্তাদীরের হাতধরেই শুরু হয়।
কবি ডাঃ মআআ মুক্তাদীরের পিতা মো.মুস্তাফিজুর রহমান, তিনিও একজন ভাষাসৈনিক ও অবসরপ্রাপ্ত সরকারী কর্মকর্তা। মাতা মোছাম্মদ আশরাফুন্নেছা। জন্ম ১৮ পৌষ ১৩৮২ বাংলা, ৩১ ডিসেম্বর ১৯৭৫, শিক্ষাগতযোগ্যতা এল এল বি অনার্স, ডি.এস.এম.এস।
পেশায় হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক। এক সময়ে ঢাকা,সিলেট ও খুলনায় হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক হিসেবে চেম্বার করতেন।
তার সম্পাদিত বই ” সর্বস্তরে বাংলা সন-তারিখ প্রচলন চাই ” , ” ভাষা শহিদদের কথা ও স্বপ্ন ” , “বিশ্ববাংলায় এক বাংলা তারিখ চাই”, ” চল করি প্রভাতফেরি “, ” হোক শিশু মন্ত্রণালয় দেশে দেশে ” উল্লেখযোগ্য ।
২০০১ সালের ১৭ জানুয়ারি তারিখে বাংলা ভাষা কে জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা করার জন্য লিখিত প্রস্তাব পাঠান মহাসচিব বরাবরে ডা. মআআ মুক্তাদীর। চিটির পেক্ষিতে জাতিসংঘের সদরদপ্তরে মাননীয় মহাসচিব মি. বান কি মুন ১ ফেব্রুযারি ২০০১ সালে জাতিসংঘ থেকে সন্তোষ জনক উত্তর প্রত্র প্রদান করেন । তিনি বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের সংগঠক। ঢাকা সেনানিবাসের বালুঘাট তার বাবার বাসভবনে বসবাস করছেন।